Posts

Showing posts from July, 2025

বাংলায় কারিগরি শিক্ষার বিকাশে 'বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের' কী ভূমিকা ছিল? দশম শ্রেণি, ইতিহাস

 বাংলায় কারিগরি শিক্ষার বিকাশে 'বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের' কী ভূমিকা ছিল? উত্তর:- বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের অঙ্গরূপে গড়ে ওঠে বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট। প্রতিষ্ঠা: বিশিষ্ট আইনজীবি ও শিক্ষাদরদি তারকনাথ পালিতের উদ্যোগে ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। উদ্দেশ্য: এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি নিয়ন্ত্রণমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলন এবং বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার। পৃষ্ঠপোষকগণ: এই শিক্ষায়তনের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন প্রমথনাথ বসু এবং প্রথম সভাপতি নিযুক্ত হন রাসবিহারী ঘোষ। এ ছাড়াও মহারাজা মনীন্দ্রচন্দ্র নন্দী, ভূপেন্দ্রনাথ বোস, নীলরতন সরকার প্রমুখ শিক্ষাব্রতী প্রথম থেকেই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। পাঠ্যক্রম: প্রথমদিকে এখানে দুই রকমের পাঠ্যক্রম চালু হয়। একটি ছিল তিন বছরের অন্তর্বর্তী পাঠ্যক্রম। অপরটি ছিল চার বছরের মাধ্যমিক পাঠ্যক্রম। প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ ছাত্ররাও এখানে অন্তর্বর্তী পাঠ্যক্রমে ভরতি হওয়ার সুযোগ পেত। এখানে গ্রন্থ প্রকাশনা, রং মাখানো, ছুতোরের কাজ, বিভিন্ন ধরনের খোদাই করা, সাবান তৈরি, চামড়া ট্য...

সর্বভারতীয় কিষাণ সভা টীকা অথবা সারাভারত কিষাণ সভা কী উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? দশম শ্রেনী, ইতিহাস

 সারাভারত কিষাণ সভা কী উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? অথবা সর্বভারতীয় কিষাণ সভা টীকা লেখো। উত্তর:-  ভুমিকা : কৃষিপ্রধান দেশ ভারতের জনসংখ্যার বৃহত্তম অংশ কৃষক সমাজকে গণ-আন্দোলনে শামিল করার সচেতন প্রচেষ্টা শুরু হয় মোটামুটি ১৯২০-৩০ এর দশকে। সমাজতান্ত্রিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ কংগ্রেসের কিছু যুবনেতা কৃষক আন্দোলনগুলিকে সংগঠিত করতে প্রয়াসী হয়। ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে আবির্ভূত হয়, 'সারাভারত কিষাণ সভা'। প্রতিষ্ঠা: ১৯৩০-এর দশকের গোড়া থেকেই বাংলা, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ প্রভৃতি অঞ্চলে প্রাদেশিক কিষাণ সভা গড়ে উঠতে থাকলেও ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্ণৌতে 'নিখিল ভারত কিষাণ সভা'র প্রথম অধিবেশন বসে। সভাপতি মনোনীত হন স্বামী সহজানন্দ সরস্বতী, আর সম্পাদক নিযুক্ত হন এন, জি. রঙ্গ। উদ্দেশ্য: ১৯৩৬ সালের আগস্ট মাসে সারাভারত কিষাণ সভার তরফ থেকে যে ইস্তাহার প্রকাশিত হয়, তা থেকে এই সংগঠনের উদ্দেশ্যগুলি সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে- 👉 জমিদারি ও মহাজনি প্রথার বিলোপ, ভূমি রাজস্ব ও খাজনার পরিমাণ হ্রাস, বেগার প্রথার অবসান, অরণ্যচারীদের বনজ সম্পদ আরোহণের চিরাচরিত অধিকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সেচ ব্যবস্থার প্রসার প্রভৃতি দাবি আদায়।...

টীকা লেখো: 'একা' আন্দোলন। দশম শ্রেনী ইতিহাস প্রশ্ন

টীকা লেখো: 'একা' আন্দোলন। উত্তর :- গান্ধিজির নেতৃত্বে অহিংস-অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে (১৯২১-২২) যুক্তপ্রদেশের হরদৈ, বারাবাঁকি, সীতাপুর, বারাইচ প্রভৃতি অঞ্চলে যে কৃষক অভ্যুত্থান ঘটে, ইতিহাসে তা 'একা' বা একতা আন্দোলন নামে পরিচিতি পেয়েছে। নামকরণ: আন্দোলন চলাকালে যেকোনো অবস্থায় কৃষকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নেয়। তাই এই আন্দোলনের এইরূপ নামকরণ।  কারণ: কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত ৫০% করারোপ,অনাদায়ে অত্যাচার, জমি বাজেয়াপ্তকরণ, বেগার শ্রমদান প্রথা প্রভৃতি কৃষকদের বিদ্রোহের পথে পরিচালিত করেছিল।  নেতৃত্ব: মাদারি পাসি নামে অনুন্নত সম্প্রদায়ের এক নেতাই ছিলেন আন্দোলনের মূল এস চালিকা শক্তি। এছাড়াও বাবা গরিবদাস প্রমুখ এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শপথনামা: মাদারি পাসির নেতৃত্বে অনুন্নত সম্প্রদায়ের কৃষকরা দলে দলে এই মাঃআন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে। মন্ত্রপাঠ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষকরা শপথ নেয় যে- (i) নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত খাজনা ছাড়া তারা অতিরিক্ত কোনো কর দেবে না,(ii) জমি থেকে উচ্ছেদ করা হলেও তারা জমি ছাড়বে না,(iii) রশিদ ছাড়া খাজনা দেবে না।(iv) খাজনা দেবে নগদ টাকায়, শস্যের মাধ্যমে নয়, অবসান: - আন্...

টীকা লেখো: জাতীয় শিক্ষা পরিষদ, দশম শ্রেনী ইতিহাস প্রশ্ন

 টীকা লেখো: জাতীয় শিক্ষা পরিষদ। উত্তর বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন শুরুর থেকেই একদিকে যেমন ছিল সরকারি শিক্ষা -প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করার প্রবণতা, অন্যদিকে ছিল জাতীয় উদ্যোগে স্বদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রয়াস। এরই সূত্র ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় শিক্ষা পরিষদ। প্রতিষ্ঠা: ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে রাসবিহারী ঘোষের সভাপতিত্বে এবং ব্রজেন্দ্রকিশোর - রায়চৌধুরি, রাজা সুবোধচন্দ্র মল্লিক, গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ শিক্ষাব্রতীর অর্থানুকূল্যে ও সক্রিয় পৃষ্ঠপোষকতায় কলকাতায় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। উদ্দেশ্য: জাতীয় শিক্ষা পরিষদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি নিয়ন্ত্রণ-মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন এবং বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার। কর্মকান্ডঃ কোনো প্রকার সরকারি সাহায্য ছাড়াই জাতীয় শিক্ষা পরিষদের অধীনে ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় 'বেঙ্গল ন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ'। বিপ্লবী অরবিন্দ ঘোষ প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। এ ছাড়াও বাংলার নানা স্থানে গড়ে এর ওঠে আরও অসংখ্য জাতীয় বিদ্যালয়। সাধারণ বিজ্ঞান ও কলাবিদ্যার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় শিক্ষা পরিষদে...

বাংলায় মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের কিরূপ অবদান ছিল? দশম শ্রেনীর ইতিহাস প্রশ্ন

  বাংলায় মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের কিরূপ অবদান ছিল? /MP 2018 & 2022] উত্তর:-  গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য ছিলেন প্রথম বাঙালি মুদ্রণ ব্যবসায়ী, প্রকাশক ও গ্রন্থকার। তাঁর নিবাস ছিল বর্ধমানের বহড়া গ্রামে। কাজের খোঁজে তিনি সম্রাট শ্রীরামপুর মিশনারিদের সংস্পর্শে আসেন।  শ্রীরামপুর মিশনেই গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের মুদ্রণ শিল্প এবং প্রকাশনার কাজে হাতেখড়ি হয়। শ্রীরামপুর মিশনের ছাপাখানার কম্পোজিটার, ফেরিস কোম্পানীর ছাপাখানায় মুদ্রাকর হিসাবে এবং এরপর উনিশ শতকের দ্বিতীয় দশকের গোড়ায় কলকাতায় এসে ব্যাবসায়িক লক্ষ্যে ছাপাখানা খোলেন ও বই বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন। পরিশেষে কলকাতা থেকে প্রেস নিয়ে স্বগ্রাম বহড়ায় চলে আসেন। গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের প্রেসের নাম ছিল 'বাঙালা গেজেটি যন্ত্রালয়' (১৮১৬)। এখান থেকেই তিনি প্রকাশ করতেন সাপ্তাহিক 'বাঙলা গেজেটি' (১৮১৮) পত্রিকা। তাঁর প্রেস থেকে তাঁরই সম্পাদিত ভারতচন্দ্রের 'অন্নদামঙ্গল' সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথম সচিত্র বাংলা গ্রন্থ 'অন্নদামঙ্গল' প্রকাশে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর প্রেস থেকেই এ...

A Bus Journey with School Friends

  A Bus Journey with School Friends. A bus journey with school friends is one of the most memorable experiences in a student’s life. It is a break from the regular routine of classroom lectures, homework, and exams. Instead, it offers a time of joy, adventure, and friendship. I was lucky to experience such a wonderful journey during a school excursion, and even today, the memory brings a smile to my face. It was the month of December when our school announced a one-day educational trip to Murshidabad, a place known for its rich history and heritage. The news spread excitement throughout the school. Everyone started making plans—who would sit with whom, what snacks to bring, what games to play, and how many photos to click! Permission slips were signed by our parents, and finally, the day we had all been waiting for arrived. We reached the school early in the morning, even before the sun had fully risen. Everyone was dressed in colorful casual clothes, carrying backpacks filled with...

ইতিহাস, দশম শ্রেনী, পঞ্চম অধ্যায় থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছোটো প্রশ্ন

 ইতিহাস    বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা  *পঞ্চম অধ্যায়* *থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছোটো প্রশ্ন* 1) বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ কে প্রতিষ্ঠা করেন ?  Ans: ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে সত্যেন্দ্রনাথ বসু ।  2) বিশ্বভারতীর আনুষ্ঠানিক সূচনা কবে হয়েছিল ? Ans: ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে ।  3) সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষরের উন্নত টাইপ তৈরি করেন কে ?  Ans: সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষরের উন্নত টাইপ তৈরি করেন পঞ্চানন কর্মকার ।  4) কারা ‘ শ্রীরামপুর ত্রয়ী ’ নামে পরিচিত ?  Ans: উইলিয়াম কেরি , জোশুয়া মার্শম্যান ও উইলিয়াম ওয়ার্ড ‘ শ্রীরামপুর ত্রয়ী ‘ নামে পরিচিত ।  5) বিশ্বভারতী কবে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায় ?  Ans: ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতী কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায় ।  6) ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত একটি বইয়ের নাম লেখো ।  Ans: ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত একটি বই হিতোপদেশ । কলিকাতা  7)কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য কে ? Ans: কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য স...

বাংলা, অভিষেক, দশম শ্রেনী

 অভিষেক দশম শ্রেণি 1) অভিষেক ‘ রচনাংশটিতে কার অভিষেকের কথা বলা হয়েছে ?  Ans: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘ অভিষেক ‘ রচনাংশটিতে রক্ষরাজ রাবণের পুত্র ইন্দ্রজিতের অভিষেকের কথা বলা হয়েছে । 2) ইন্দ্ৰজিৎ কে ?  Ans: রাবণ ও মন্দোদরীর সন্তান মেঘনাদ দেবরাজ ইন্দ্রকে জয় করেছিলেন বলে বীরশ্রেষ্ঠ ‘ ইন্দ্রজিৎ ‘ নাম গ্রহণ করেছিলেন । 3)  কাকে বীরেন্দ্রকেশরী বলা হয়েছে ?  Ans: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘ অভিষেক ’ নামাঙ্কিত অংশে বীরেন্দ্রকেশরী বলা হয়েছে রাবণপুত্র ইন্দ্রজিৎকে । বীরেন্দ্রকেশরীর অর্থ বীরসিংহ । 4) প্রণমিয়া ধাত্রীর চরণে , / কহিলা , – ধাত্রী আসলে কে এবং তাকে কী বলা হয়েছে ?  Ans: মধুসূদনের অভিষেক ‘ কাব্যাংশে প্রভাষার ছদ্মবেশিনী ধাত্রী আসলে দেবী লক্ষ্মী । প্রমোদোদ্যানে মেঘনাদ তাঁকে দেখে সেখানে আগমনের কারণ ও লঙ্কার কুশল জিজ্ঞাসা করেছিলেন । 5) অম্বুরাশি – সুতা কার ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন ? Ans: মধুসুদনের ‘ অভিষেক ‘ কাব্যাংশে ‘ অম্বুরাশি – সুতা ‘ অর্থাৎ লক্ষ্মী , ইন্দ্রজিতের ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রমোদকাননে এসে ইন্দ্রজিৎকে বীরবাহুর মৃত্যু ও রাবণের যুদ্ধযা...

বাংলা, 'প্রলয়োল্লাস' দশম শ্রেণি

প্রলয়োল্লাস দশম শ্রেণির কবিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন। 1) তোরা সব জয়ধ্বনি কর।— কবি কাদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন ? Ans: কাজী নজরুল ইসলামের ‘ অগ্নিবীণা ‘ কাব্যগ্রন্থের ‘ প্রলয়োল্লাস ‘ কবিতায় কবি পরাধীন ভারতের মুক্তিকামী ও স্বাধীনতা – প্রত্যাশী জনগণকে মহাপ্রলয়ের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন । 2) কবি নজরুল ‘ জয়ধ্বনি ‘ করার কথা বলেছেন কেন ?  Ans: নজরুল ‘ প্রলয়োল্লাস ‘ কবিতায় ভারতের পরাধীনতার মহানিশার শেষে স্বাধীনতা সূর্যের উদিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন মহাপ্রলয়ের হাত ধরে । তাই তিনি মানুষকে আশাপূর্ণকারী প্রলয়ের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন । ‘  3) কালবোশেখির ঝড় ‘ – কে নূতনের কেতন বলার কারণ কী ?  Ans: কালবৈশাখী ঝড় পুরাতনকে মুছে ফেলে নূতনের সংকেত আনে বলে কবি কালবোশেখিকে ‘ নূতনের কেতন ‘ বলেছেন । 4) ‘ অনাগত ’ বলতে কীসের ইঙ্গিত করেছেন কবি ? Ans: ‘ প্রলয়োল্লাস ’ কবিতায় নজরুল ‘ অনাগত ’ বলতে পরাধীন ভারতের বন্দিদশা মোচনকারী , আসন্ন মুক্তি বা স্বাধীনতার কথা বলেছেন । 5) ‘ সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে ?  Ans: কাজী নজরুল সিন্ধুপারের সিংহদ্বার বলতে সাগর তীরে অবস্থিত ব্র...

ইতিহাস, লেখায় ও রেখায় জাতীয়তাবাদের বিকাশ :

 লেখায় ও রেখায় জাতীয়তাবাদের বিকাশ : ভূমিকা : ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর অসন্তোষের ফলশ্রুতিতে ভারতের জাতীয়তাবোধ তথা জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটতে থাকে। আর এই জাতীয়তাবাদের বিকাশে সাহিত্য সংস্কৃতি এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। বিভিন্ন সাহিত্যিক ও শিল্পী তাদের লেখনি ও চিত্রকলার দ্বারা ভারতীয়দের মনে জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছিল। ১. আনন্দমঠ (১৮৮২ খ্রি:)- সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিকায় আনন্দমঠ উপন্যাসটি রচনা করেন। বঙ্কিমচন্দ্র তার এই বিখ্যাত উপন্যাসের দেশমাতৃকার যে বর্ণনা প্রদান করেন এবং যেভাবে দেশপ্রেমকে মুক্তিকামী জনগণের মধ্যে পরিস্ফুট করেছেন তা অকল্পনীয়। তার এই উপন্যাসে বিদেশিদের হাত থেকে দেশমাতাকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে সন্তান দলের আদর্শ কাজ করেছিল। বঙ্কিমচন্দ্র তার এই উপন্যাসে 'বন্দেমাতরম' সঙ্গীতের দ্বারা দেশাত্মবোধের মন্ত্র প্রদান করেছেন। ২. বর্তমান ভারত (১৯০৫ খ্রি:)- বিশ্ববরেণ্য ভারত সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ রচিত 'বর্তমান ভারত' গ্রন্থটি আকারে ক্ষুদ্র, স্বামী বিবেকানন্দের জীবনের ম...